Creating  healthier  tomorrow

Blogs

ঈদের আনন্দের সাথে চাই স্বাস্থ্যকর খাবার

Published by Lutfun Nahar Mukta    Jun-15-2018

Blog Image

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে একমাস রোজা রাখার পর সবাই একসাথে আনন্দ সুখ ভাগাভাগি করে সুন্দর জামা-কাপড়ে ঘুরাঘুরি আর ভালো খাওয়া দাওয়া। তবে ঈদ এর দিনটাতে সকলের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার দিকে খেয়াল রাখাটাও খুবই জরুরী।

একমাস টানা রোজা রাখায় স্বাভাবিক ভাবেই আপনার খাবারের সময় সূচিতে পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু রোজা শেষে এই ঈদ এর দিন থেকে তা আবার পাল্টে যাবে। তাই প্রথমেই যে ব্যপারটা মনে রাখতে হবে আপনি কখন কোন খাবারটা ঠিক কি পরিমান খাবেন। নয়ত হঠাৎ করে খুব আয়োজন করে পরিমানের অধিক খাবার আপনার দ্রুত অসুস্থ হয়ে যাওয়ার কারন হতে পারে।

ঈদ এ আপনার সুস্থতা ও একটি স্বাস্থ্যকর খাবার তালিকা নিয়েই আজকের এই আর্টিকেল সাজানো হয়েছে।  সুস্থ থাকুন, আনন্দময় হয় আপনার ঈদ।

 

ঈদের সকালে যা খাবেন...

ঈদের দিনের সকালের খাবারটা অবশ্যই ভেবে চিন্তে শুরু করবেন। কারন বিগত ৩০দিন ধরে এই সময় টায় আপনার খাওয়ার অভ্যাস ছিলোনা। তাই হালকা নাস্তা দিয়ে শুরু করুন। সবুজ সবজি দিয়ে তেল ছাড়া রুটি খুব ভালো একটি খাবার। আবার মিষ্টি জাতিও খাবার পছন্দ থাকলে আপনি দুধ বা দুধের তৈরি সেমাই পুডিং বা কাস্টার্ড, মিষ্টি ফল যেমন কলা,আম ইত্যাদি খেয়ে সকাল টা শুরু করতে পারেন। যারা সকালের নাস্তায় চা পছন্দ করেন তারা কফি বা দুধ চায়ের বদলে গ্রিন টি খেলে ভালো। অতিরিক্ত তেলের অবশ্যই কিছু খাবেন না। নতুবা আপানর এসিডিটি, বুক জালাপোড়া, পাতলা পায়খানা, বদহজম বা বমি হতে পারে।

 

ঈদের দুপুরে যা খাবেন...

ঈদের দুপুরে একটু ভারি খাবারে টেবিল সাজানো হবে সেটাই স্বাভাবিক। অনেকদিন পর সবাই মিলে দুপুরে খুব হৈচৈ করে খেতে বসায় পরিমানের বেশিই খাওয়া হয়ে যায়। সে খাবার যদি স্বাস্থ্যকর হয় তাহলে কোন সমস্যা নেই। খাবারে কার্বোহাইড্রেট এর চাহিদা হিসেবে খিচুরি, বিরিয়ানি বা পলাও রাখতে পারেন। মুরগী বা গরুর মাংশের পাশাপাশি মাছের কিছু আইটেম রাখতে পারেন। যেমন মাছের কোরমা, মাছের কোপতা, কাটলেট ইত্যাদি। এগুলো খেতেও সুস্বাদু আবার সাস্থের জন্যও উপকারি। যে খাবার ই তৈরি করা হওকনা কেন,অতিরিক্ত তেল বা ঘি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। কারন এই অতিরিক্ত তেল বা ঘি দিয়ে তৈরি খাবার, কার্বনেটেড পানিও আপানর পাকস্থলীতে অম্লত্ব বাড়িয়ে দিবে যার কারনে বমি হতে পারে। তবে খাওয়া দাওয়ার পর টক দই আপানর অনেকটাই স্বস্থি নিয়ে আসবে। 

 

ঈদের দিন রাতে যা খাবেন...

সারাদিনের অনিয়মিত ভারি খাবারের পর আপানকে অবশ্যই রাতের খাবারে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। হালকা খাবার বেছে নিন। রুটি সাথে কাবাব,সাদা ভাত এর সাথে পাতলা কোন তরকারি এগুলো দরকার আপানার রাতের খাবার তালিকায়। তবে রাতে খাবার পর একটু হেঁটে নেয়াটা জরুরী। এবং খাওয়ার আধাঘণ্টা পর পানি পান করুন।

 

বাড়তি কিছু সতর্কতা...

*** খাবার তৈরিতে সয়াবিন তেল বা ঘি এর পরিবর্তে উদ্ভিজ তেল ব্যবহার করুন।

*** সালাদ এর উপকরন হিসেবে শশা,টমেটো, কাচা পেঁপে, মুলা ইত্যাদি বেছে নিন।

*** সারাদিনে নানান রকম কোল্ড ড্রিঙ্কস এর পরিবর্তে ফলের রস, লেবুর শরবত, জিরা পানি, বোরহানি, লাচ্ছি ইত্যাদি পান করুন।

*** খাবারের মাঝে পানি পান করা থেকে বিরত থাকুক। খাবারের অন্তত ৩০মিন পর পানি পান করুন।

*** সালাদে নানান রকম ক্রিম, কালার, মেওনিজ, টেস্টিং সল্ট এর পরিবর্তে মধু লবণ চিনি গোলমরিচ সরিষা বাটা লেবুর রস টক দই ইত্যাদি ব্যবহার করুন।

 

 

Writer: Lutfun Nahar Mukta (Co-founder and CCO, Meditor Health)

Reference:

1.  http://www.doc2p.com/

2. http://www.risingbd.com/

3. https://www.youtube.com/

4. http://www.poriborton